শেরপুর কন্ঠ ডেস্ক : শেরপুর-১ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত এমপি হাফেজ রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, শহীদ কামারুজ্জামানকে হত্যাকান্ড এটা কেউ মেনে নিতে পারে নাই, শহীদ কামারুজ্জামানের হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে মানুষ দাঁড়িপাল্লার পক্ষে রায় দিয়েছে। আমরা ন্যায় এবং ইনসাফের পক্ষে আছি বলেই মানুষ আমাদের পক্ষে ভোট দিয়েছে, মানুষ আমাদেরকে পছন্দ করেছে, ভোট দিয়েছে, দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করার জন্য এবং এই চেষ্টা আল্লাহ তায়ালা কবুল করেছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের নওহাটা আলিয়া মাদরাসা মাঠে নির্বাচন পরবর্তী নারী নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি একথা বলেছেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, এবারের নির্বাচনে মানুষ রায় দিয়েছে ন্যায় এবং ইনসাফের পক্ষে, আমরা ন্যায় এবং ইনসাফের পক্ষে রায় পেয়েছি। আমি ১ লাখ ২৭ হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছি, আমি শুধু ১ লাখ ২৭ হাজার ভোটারদের এমপি না, আমি এখন শেরপুর সদর আসনের সাড়ে ৪ লাখ ভোটারের এমপি।
এমপি রাশেদুল ইসলাম আরো বলেন, শেরপুরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাট, নারীদের নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদার করা সহ ইভটিজিং নির্মূল করা হবে। মাদক এবং জোয়ামুক্ত শেরপুর গড়ে তুলবো। কুটিরশিল্প গড়ে তোলার মাধ্যমে নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে ।
মতবিনিময় সভায় সদর উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর মাওলানা নুরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুস সোবাহান এর সঞ্চালনায় এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান, সূরা সদস্য হাফেজ মাওলানা জাকারিয়া আব্দুল বাতেন, সদর উপজেলা জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক শফিউল ইসলাম স্বপন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন শেরপুর জেলা শাখার সভাপতি ডাঃ আব্দুল মতিন, পৌর শহর জামায়াতের সেক্রেটারি ডা. হাসানুজ্জামান সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন জামায়াতের দায়িত্বশীল মহিলা কর্মীরা।

১ মন্তব্য
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,
শ্রদ্ধেয় হাফেজ রাশেদুল ইসলাম ভাই,
প্রথমে শেরপুরের আপামর জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও মোবারকবাদ জানাচ্ছি। আপনার ওপর শেরপুরবাসী যে আমানত অর্পণ করেছে, মহান আল্লাহ তাআলা আপনাকে তা যথাযথভাবে পালন করার তৌফিক দান করুন।
আমি শেরপুরের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদের এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিয়ে আপনার কাছে কিছু প্রত্যাশা ও প্রস্তাবনা রাখতে চাই:
যোগাযোগ ব্যবস্থা: এলাকার প্রধান সড়কগুলোর মেরামত এবং গ্রামীণ রাস্তাঘাটের টেকসই উন্নয়ন।
শিক্ষা ও তরুণ প্রজন্ম: মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং তরুণদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন কারিগরি উদ্যোগ গ্রহণ।
স্বাস্থ্যসেবা: সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক ও সুলভ চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেওয়া।
কৃষি ও বাণিজ্য: স্থানীয় কৃষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ তৈরি করা।
শেরপুরকে একটি আদর্শ ও মডেল জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে আপনার সুযোগ্য নেতৃত্বে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে চাই। আপনার সুবিধাজনক সময়ে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার সুযোগ পেলে কৃতজ্ঞ থাকব।
আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।
বিনীত,
আপনার এলাকার একজন শুভাকাঙ্ক্ষী
বিনীত,
( সুখনূর রহমান)
( মধ্য নওহাটা, শেরপুর।)