ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্ছিত, প্রতিবাদে গণমাধ্যমকর্মীদের ক্ষোভ।

by শেরপুর কণ্ঠ ডেস্ক
3 মিনিটের পড়া

শেরপুর কন্ঠ ডেস্ক : ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের ময়মনসিংহ প্রতিনিধি আবু সালেহ মো. মুসা সহ কয়েকজন সাংবাদিক লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, দেশব্যাপী হাম রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহের জন্য আবু সালেহ মো. মুসাসহ কয়েকজন সাংবাদিক হাসপাতালে যান। যথাযথ অনুমতি নিয়েই তারা ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রবেশ করে রোগীদের অবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং সাক্ষাৎকার নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় দায়িত্বরত এক নারী চিকিৎসক কোনো প্রকার উসকানি ছাড়াই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগ করা হয়। তিনি সাংবাদিকদের ব্যবহৃত ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং উচ্চস্বরে চিৎকার করে গার্ড ও আনসার সদস্যদের ডেকে সাংবাদিকদের হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। ঘটনায় লাঞ্ছিতদের মধ্যে আরও রয়েছেন দেশ টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান কাউসার মিয়া, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান সুমন আহমেদ এবং আঞ্চলিক অনলাইন টেলিভিশন আঙ্গর টিভির প্রতিনিধি শাওন ও জহিরুল। আবু সালেহ মো. মুসা জানান, তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই সংবাদ সংগ্রহ করতে যান। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, এভাবে বাধার মুখে পড়লে সাংবাদিকতা করা কঠিন হয়ে পড়ে। আমরা বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।এ ঘটনায় ময়মনসিংহ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অমিত রায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন,এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। দায়ী চিকিৎসকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম বলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা দ্রুত এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই। সাংবাদিক ইউনিয়ন ময়মনসিংহের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং সাংবাদিকতা পেশার জন্য হুমকিস্বরূপ। আমরা নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানাই।
এ বিষয়ে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন বলেন, সাংবাদিক আবু সালেহ মো. মুসা আমার অনুমতি নিয়েই হাসপাতালে গিয়েছিলেন। ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক মহল।

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের ময়মনসিংহ প্রতিনিধি আবু সালেহ মো. মুসা সহ কয়েকজন সাংবাদিক লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, দেশব্যাপী হাম রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও তথ্য সংগ্রহের জন্য আবু সালেহ মো. মুসাসহ কয়েকজন সাংবাদিক হাসপাতালে যান। যথাযথ অনুমতি নিয়েই তারা ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে প্রবেশ করে রোগীদের অবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ এবং সাক্ষাৎকার নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় দায়িত্বরত এক নারী চিকিৎসক কোনো প্রকার উসকানি ছাড়াই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন বলে অভিযোগ করা হয়। তিনি সাংবাদিকদের ব্যবহৃত ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং উচ্চস্বরে চিৎকার করে গার্ড ও আনসার সদস্যদের ডেকে সাংবাদিকদের হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। ঘটনায় লাঞ্ছিতদের মধ্যে আরও রয়েছেন দেশ টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান কাউসার মিয়া, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান সুমন আহমেদ এবং আঞ্চলিক অনলাইন টেলিভিশন আঙ্গর টিভির প্রতিনিধি শাওন ও জহিরুল। আবু সালেহ মো. মুসা জানান, তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েই সংবাদ সংগ্রহ করতে যান। কিন্তু কোনো কারণ ছাড়াই তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি বলেন, এভাবে বাধার মুখে পড়লে সাংবাদিকতা করা কঠিন হয়ে পড়ে। আমরা বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।এ ঘটনায় ময়মনসিংহ টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অমিত রায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন,এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। দায়ী চিকিৎসকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম বলেন, সাংবাদিকদের সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা দ্রুত এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই। সাংবাদিক ইউনিয়ন ময়মনসিংহের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত এবং সাংবাদিকতা পেশার জন্য হুমকিস্বরূপ। আমরা নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতের দাবি জানাই।
এ বিষয়ে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন বলেন, সাংবাদিক আবু সালেহ মো. মুসা আমার অনুমতি নিয়েই হাসপাতালে গিয়েছিলেন। ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক মহল।

আরো খবর

আপনার মতামত দিন