শেরপুর সীমান্তে পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশের সেতু পরিদর্শনে সাংসদ রুবেল 

by শেরপুর কণ্ঠ ডেস্ক
1 মিনিটের পড়া

শেরপুর কন্ঠ ডেস্ক : শেরপুর সীমান্তে পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত জেলার শ্রীবরদী উপজেলার রানীশিমুল ইউনিয়নের বালিজুরী গ্রামে  ভারতের মেঘালয় থেকে বয়ে আসা খরস্রোতা  সোমেশ্বরী নদীর উপর ক্ষতিগ্রস্ত অস্থায়ী বাঁশের সেতু পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় এমপি রুবেল। 

১৫ মে শুক্রবার বিকেলে পাহাড়ি ঢলে ভেঙে যাওয়া অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো পরিদর্শনে আসেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল। 

পরিদর্শনকালে তিনি নদীর দু’পাড়ে বসবাসকারী গ্রামবাসী ও স্থানীয়দের সাথে মতবিনিময়কালে বলেন, আগামীকাল থেকেই অস্থায়ী সেতু নির্মাণে  কাজ শুরু করা হবে। খাড়ামুড়া ও রাঙাজান গ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে অতি তাড়াতাড়ি সোমেশ্বরী নদীর উপর  সেতু নির্মাণ করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই আমি  স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই টেন্ডারের মাধ্যমে ব্রিজের কাজ শুরু হবে। তবে সামনে বর্ষা মৌসুমির কথা ভেবে চলাচলের সুবিধার্থে আমরা এখানে ড্রাম দিয়ে অস্থায়ী সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। 

এ সময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা  

মো আমির হোসেন, কার্য সহকারী‌ সালাউদ্দিন বিশ্বাস, স্থানীয় ইউপি সদস্য নুর হক, বালিজুরি উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি আব্দুল হালিম,  সহ স্থানীয় গ্রামবাসী ও বিএনপি’র নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। 

উল্লেখ্য, ভারতের মেঘালয় রাজ্য ঘেষা রাণীশিমুল ইউনিয়নের বালিজুরি গ্রাম দিয়ে বয়ে আসা খরস্রোতা সোমেশ্বরী নদীতে স্বাধীনতার ৫৪ বছরেও ব্রীজ নির্মাণ না হওয়ায় কয়েকটি গ্রামের মানুষ দুর্ভোগে রয়েছে। 

গ্রামবাসীর উদ্যোগে অস্থায়ী বাঁশের সেতু নির্মাণ করা হলে প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে অবিরাম টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ভেঙে যায় বাঁশের সাঁকো। 

ফলে নদীর দু’পারের মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ডিঙ্গি নৌকার মাধ্যমে শীত মৌসুমে নদীতে পারাপার হওয়া গেলেও বর্ষা মৌসুমে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। 

আরো খবর

আপনার মতামত দিন