শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে নাকাল সীমান্তবাসী

by শেরপুর কণ্ঠ ডেস্ক
1 মিনিটের পড়া

শেরপুর কন্ঠ ডেস্ক : টানা বর্ষণ এবং ভারতের মেঘালয় রাজ্য থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের পাহাড়ি বিভিন্ন নদ নদীর পানি বিপদ সীমানার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ঢলের কারণে বিভিন্ন নদীর পাড় ভেঙে ঢলের পানি প্রবেশ করে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত এবং বিভিন্ন পাকা সড়ক এবং নদীর পাড় ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। এতে নাকাল অবস্থায় রয়েছে সীমান্তবাসী।

জানা গেছে, গত দুই দিনে টানা বর্ষণ এবং ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরা পাহাড় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী ও শ্রীবরদী উপজেলার পাহাড়ি নদী ভোগাই, মহারশি, সোমেশ্বরী এবং চেল্লাখালি নদীর পানি বিপদ সীমানার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে এসব নদীর পানি বিভিন্ন গ্রামের নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যাচ্ছে। একই সাথে নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালি নদীর পানির তোড়ে শেরপুর-গাজীরখামার-নালিতাবাড়ী সড়কের বালুঘাটা এলাকার প্রধান সড়কে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। এছাড়া ঝিনাইগাতি উপজেলার মহারশি নদীর বিভিন্ন স্থানে ভাঙ্গন দেখা দিচ্ছে। বিভিন্ন ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাটে পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে মসজিদ, বিদ্যালয় সহ সাধারণ মানুষের অনেক ঘর বাড়ি হুমকির মুখে পড়েছে। 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেলা তিনটায় রেকর্ড করা সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার চেল্লাখালী নদীর পানি বিপদ সীমানার ২ মিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য নদীর পানি বিপদ সীমানা ছুই ছুই করছে। তবে ঢলের পানি নেমে গেলে এবং পানি বৃদ্ধি অব্যাহত না থাকলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমে যাবে।

ঢলের বিষয়ে শ্রীবরদী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসিবুল হাসান বলেন, সীমান্ত এলাকায় প্রায় ২ শত পরিবার জলাবদ্ধতায় রয়েছে। আমরা সেখানে পরিদর্শনে গিয়ে শুকনো খাবার দেওয়ার ব্যবস্থা করছি।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ফরিদে ইয়াসমিন বলেন, আমি নালিতাবাড়ী এলাকায় অবস্থান করছি ঢলের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হলেও বড় ধরনের কোন ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট অনেকেই ঢলের পানির পর্যবেক্ষণ করছেন। পানি কমে গেলে সব স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

আরো খবর

আপনার মতামত দিন