শেরপুর কন্ঠ ডেস্ক : বর্ষার পড়ন্ত বিকেলে শেরপুর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে দেখা মিলছে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরা পাহাড়। এ যেনো এক স্বপ্নীল ছোঁয়া। মুগ্ধতায় ছড়িয়ে পড়েছে জেলার পুরো উত্তরের সীমান্ত।

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্ত ঘেঁষা বাংলাদেশের উত্তরের সীমান্ত জেলা শেরপুর। মেঘালয় রাজ্যের প্রায় ৪২ কিলোমিটার দূরত্বের সীমান্ত জুড়ে রয়েছে গারো পাহাড়। যদিও মূল গারো পাহাড়টি পড়েছে মেঘালয় রাজ্যে। তারপরেও গারো পাহাড়ের অংশবিশেষ বৃহত্তর ময়মনসিংহের শেরপুর জেলায় পড়েছে বেশিরভাগ অংশ। শেরপুর সীমান্ত থেকে মেঘালয় রাজ্যের সর্বোচ্চ উঁচু তুরা শহরের দূরত্ব মাত্র ৫৫ কিলোমিটার। শেরপুর সীমান্ত সড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে বর্ষার পড়ন্ত বিকেলে যদি পরিষ্কার আকাশ থাকে তবে দেখা মিলে ওই তুরা পাহাড়। যদিও সীমান্ত থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরত্বে শেরপুর জেলা শহরের ছয় থেকে সাত তালা উঁচু ভবনের ছাদে উঠলেও এই তুরা পাহাড়ের দেখা মিলে। তুরা পাহাড়টি মূলত সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় তিন হাজার ফুট উচ্চতায়। সে কারণে সীমান্ত জেলা শেরপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিশেষ করে খোলা মাঠ বা প্রান্ত থেকে বর্ষার বিকেলে পরিষ্কার আকাশে সুস্পষ্ট ভাবে ফুটে উঠে তুরা পাহাড়।

গত কয়েকদিন যাবত শেরপুর জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বিশেষ করে সীমান্ত এলাকার ঝিনাইগাতি-বগাডুবি সড়ক, তিনানি-নালিতাবাড়ী সড়ক, মধুটিলা, গজনি, নাকুগাঁও, পানিহাতা স্থান থেকে স্পষ্টভাবে ওই তুরা পাহাড় দেখা যাচ্ছে।
এতে ভ্রমন পিপাসীরা উৎফুল্ল হয়ে পাহাড়ের ছবি তুলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিচ্ছে। যেমনটি পঞ্চগড় থেকে শীতকালে হিমালয় পাহাড় দেখা যায়। শেরপুর সীমান্ত থেকে তুরা পাহাড়ের চমৎকার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখার জন্য প্রতিদিনই ভ্রমণ বিলাসী বাইকাররা ছুটে যাচ্ছে সীমান্ত এলাকায়। আরে নিজ নিজ মোবাইল এবং ক্যামেরায় ছবি তুললে তা পোস্ট করছে। বিষয়টি এখন নেট দুনিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়ে পড়েছে।
