শেরপুরে কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম বিষয়ক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত

by শেরপুর কণ্ঠ ডেস্ক
1 মিনিটের পড়া

শেরপুর কন্ঠ ডেস্ক : শেরপুরের সীমান্তবর্তী গারো পাহাড় এলাকায় কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম বিষয়ক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

৫ জুন শুক্রবার বিকেলে জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার সীমান্তবর্তী নয়া রাংটিয়া গ্রামের একেন্দ্র কোচ এর বাড়িতে হিউম্যান রাইটস্ ডিফেন্ডার্স ফোরাম (এইচআরডি) এর আয়োজনে ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রমেন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট (আইইডি) এর সহায়তায় এই উঠান বৈঠকের সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় কোচ নেতা নেজেন্দ্র কোচ।

আইইডি ফেলো সুমন্ত বর্মন এর সঞ্চালনায় উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি ছিলেন নাগরিক প্ল্যাটফর্ম জনউদ্যোগ এর আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ এবং বিশেষ অতিথির মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমাজসেবক এস এম আবু হান্নান, মমিনুল ইসলাম মমিন, সোসায়মান আহমেদ, শেরপুর প্রেসক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ, সহকারী অধ্যাপক মোঃ শওকত হোসেন, সালেহ ইমাম জনি, জিয়াউর রহমান মুন্না, আইটি উদ্যোক্তা আব্দুস সাত্তার রনি প্রমুখ। 

বৈঠকে “তুলশী মালার সুগন্ধে, পর্যটনের আনন্দে” শেরপুর জেলা ব্র্যান্ডিং এর অন্যতম পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে এবং স্থানীয় এলাকার আদিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে হোম ট্যুরিজম বা কমিউনিটি বেজড ট্যুরিজম প্রতিষ্ঠায় স্থানীয় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর তরুণ সমাজকে টুরিস্ট গাইড এর প্রশিক্ষণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। 

এছাড়া বক্তারা বলেন, যেহেতু শেরপুরে গারো পার্কে ঘিরে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে তাই সরকারি এবং বাণিজ্যিক পর্যটন খাতের পাশাপাশি পর্যটকদের কাছে থেকে অর্জিত আয় সরাসরি স্থানীয় মানুষের কাছে যেন পৌঁছায় এবং এলাকার সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটে। পর্যটকরা স্থানীয় মানুষদের হোমস্টে বা বাড়িতে থেকে তাদের ঐতিহ্যবাহী খাবার, জীবনধারা, শিল্পকলা ও কৃষ্টি-কালচার ও সংস্কৃতির অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারেন।

এক্ষেত্রে স্থানীয়রাই ট্যুর গাইড হিসেবে কাজ করবে এবং পর্যটন থেকে আয়ের ব্যবহার কীভাবে হবে তার সিদ্ধান্তও তারা নিজেরাই নিবে।

আরো খবর

আপনার মতামত দিন